আয়ারল্যান্ডের নতুন প্রেসিডেন্ট ক্যাথরিন কনলি
মো: সাখাওয়াৎ হোসেন (সাখাওয়াৎ লিটন)
আয়ারল্যান্ডের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন ক্যাথরিন কনলি। ৬৮ বছর বয়সী কনলি মাইকেল ডি. হিগিন্সের স্থলাভিষিক্ত হন।
এ বছরের অক্টোবরে বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ার পর আয়ারল্যান্ডের দশম প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি শপথ নেন। শপথ নিয়েই ক্যাথরিন বলেন, আমরা মানুষের সাহস ও সংকল্পের আনন্দ নিয়ে সুন্দর একটি দেশ গড়তে চাই।
মঙ্গলবার ডাবলিন ক্যাসেলে আয়োজিত এক জাকজমক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে অভিষিক্ত হন।
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে দেশটির রাজনীতিবিদ, বিচারক এবং অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। কনলি নির্বাচনে ফিনে গল দলের প্রার্থী হিদার হামফ্রিসকে পরাজিত করেন।
আয়ারল্যান্ডে প্রেসিডেন্টের পদটি মূলত একটি আনুষ্ঠানিক এবং অ-নির্বাহী ভূমিকা পালন করে, তবে দেশটির জনজীবনে এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীকী তাৎপর্য রয়েছে।
অভিষেক অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে একটি প্রার্থনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর নতুন প্রেসিডেন্ট এবং আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মাইকেল মার্টিন বক্তব্য দেন।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম আরটিই জানায়, প্রধানমন্ত্রী মার্টিন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, তাঁর কোন সন্দেহ নেই যে ক্যাথরিন কনলি দেশের জন্য কাজ করবেন। তিনি বিদায়ী প্রেসিডেন্ট হিগিন্স এবং তার স্ত্রী সাবিনার ‘অসামান্য অবদানের’ জন্য ধন্যবাদ জানান এবং বলেন, দেশ তাদের কাছে ‘অপরিসীম কৃতজ্ঞতার ঋণে আবদ্ধ’।
নিজের প্রথম ভাষণে কনলি বলেন, ‘আমি এই সুন্দর দেশের দশম প্রেসিডেন্ট হিসেবে আপনাদের সামনে বিনীতভাবে এবং গর্বের সঙ্গে দাঁড়িয়েছি। জনগণ তাদের রায় দিয়েছে এবং তাদের প্রেসিডেন্টকে একটি নতুন প্রজাতন্ত্রের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য শক্তিশালী ম্যান্ডেট দিয়েছে; এমন একটি প্রজাতন্ত্র, যেখানে প্রত্যেকে মূল্যবান এবং বৈচিত্র্যকে মূল্যায়ন করা হয়, যেখানে টেকসই সমাধান দ্রুত বাস্তবায়ন করা হয় এবং যেখানে আবাসন একটি মৌলিক মানবাধিকার।’
কনলি তাঁর ভাষণে বিশ্বজুড়ে চলমান সংঘাতের বিষয়ে আলোকপাত করার আহ্বান জানান এবং আয়ারল্যান্ডের দীর্ঘদিনের নিরপেক্ষতা ও শান্তিরক্ষার নীতির কথা উল্লেখ করে বলেন, যুদ্ধের বিকল্প পথ তৈরিতে আয়ারল্যান্ড একটি ভালো অবস্থানে রয়েছে।
What's Your Reaction?

