বাকৃবিতে ৩৫তম রোটার্যাক্ট ট্রেনিং ক্যাম্প সম্পন্ন
ময়মনসিংহ, ২৩ জানুয়ারি (বাকৃবি প্রতিনিধি/আওয়ার ভয়েস) – বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) রোটার্যাক্ট ক্লাবের সদস্যদের জন্য আয়োজিত ৩৫তম রোটার্যাক্ট ট্রেনিং ক্যাম্প সম্পন্ন হয়েছে।
শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে ওই কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়। জানা যায়, প্রতি বছরের মতো এবারো নেতৃত্বগুণ বিকাশ, পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন ও সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনায় সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘ঐতিহ্য রক্ষা, অগ্রগতির অনুপ্রেরণা’ স্লোগানে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এতে সারা দেশ থেকে রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট-৬৪ ও ৬৫ এর ৪০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেন। ছয় দিনব্যাপী এ কর্মশালায় বেস্ট ক্যাম্পার হিসেবে মনোনীত হন রোটার্যাক্টর আলভী ইসলাম এবং শাহরিয়ার আল আকাশ। সেরা গ্রুপের পুরস্কার অর্জন করে ইমপ্যাক্ট আইকনস এবং দ্বিতীয় হয় গ্রুপ ইনফিনিটি। সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের পুরষ্কৃত করা হয়।
গ্র্যাজুয়েট ট্রেনিং ইন্সটিটিউটের (জিটিআই) পরিচালক অধ্যাপক ড. মো: মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. মাছুমা হাবিব। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা কমিটির কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. মো সামছুল আলম, বাকৃবি রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) পরিচালক অধ্যপক ড. মো. হাম্মাদুর রহমান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেজর (অব) ড. মো মেহেরুল হাসান। এছাড়া ৩৫তম রোটার্যাক্ট ট্রেনিং ক্যাম্প কোর্স কো-অর্ডিনেটর ডাঃ মো. সবুজ রহমানসহ প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় জিটিআই পরিচালক বলেন, প্রতিবছর যখন এই আয়োজনটি হয় এটি একটি উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে। ট্রেনিংয়ে সহশিক্ষামূলক যে কার্যক্রমগুলো ছিল এগুলো অবশ্যই প্রশিক্ষণার্থীদের অনেক কাজে দিবে। আপনাদের বলব যে, এই প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান আপনারা আপনাদের জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজে লাগাবেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মাছুমা হাবিব বলেন, "আমি শিক্ষার্থী হিসেবে রোটার্যাক্ট ক্লাবের সাথে যুক্ত হতে পারিনি। তবে ২০০৬ সাল থেকে শিক্ষক হিসেবে ক্লাবের সাথে আছি। জিটিআই এর মাধ্যমে এই ক্যাম্পের সুখ্যাতি দেশে বিদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। বাকৃবি রোটার্যাক্ট ক্লাব প্রতিনিয়ত ভালো ভালো কাজ করে যাচ্ছে, যা সুন্দর হৃদয়ের পরিচয় দেয়।
উপস্থিত প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তোমাদের সবার মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলি আছে বলে আমি বিশ্বাস করি। তবে আত্মতুষ্টি নয়, বরং প্রতিনিয়ত তোমাদের শিখতে হবে। আমাদের উদার হতে হবে, মানুষকে ক্ষমা করতে হবে। এতে অনেক জটিলতা কমে যায়। শিক্ষার্থীদের অবশ্যই মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে কাজ করতে হবে। নিজেকে চিনতে হবে। যার যা আছে, তাই নিয়ে ভালো থাকার চেষ্টা করতে হবে।"
What's Your Reaction?

